Tuesday, September 18, 2018

মাল্টিভার্স তত্ত্ব।

সাইন্স অ্যান্ড মিস্ট্রি চ্যানেলে আপনাদের স্বাগতম। আশা করি ভাল আছেন। আমাদের ভিডিওগুলো আপনাদের ভাল লেগে থাকলে লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট করুন এবং চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথে থাকুন। আমাদের আজকের বিষয় মাল্টিভার্স তত্ত্ব। আমাদের বাসভূমি ছোট এই পৃথিবী অনন্ত মহাবিশ্বের এক ক্ষুদ্র অস্তিত্ব মাত্র। তাহলে এই অনন্ত মহাবিশ্বের সীমানা কোথায়, এর মধ্যে কীই বা আছে। এই প্রশ্ন বিজ্ঞানীদের করেছে দ্বিধাগ্রস্থ। এই পথেই আবিষ্কৃত হয়েছে বিগব্যাং তত্ত্ব এবং মাল্টিভার্স তত্ত্ব। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক বিগব্যাং ও মাল্টিভার্স সম্পর্কে। প্রথমেই আসা যাক, বিগব্যাং তত্ত্বে। মহাবিশ্ব সৃষ্টির প্রক্রিয়া সম্পর্কিত এই তত্ত্বট এখন পর্যন্ত সবচেয়ে গ্রহণযোগ তত্ত্ব। এর স্রষ্টা বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। তার মতে মহাবিশ্ব প্রাথমিক অবস্থায় এক বিন্দু অবস্থায় ছিল। পরে কোনো এক অজানা কারণে সেই বিন্দুতে এক মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়। যার ফলে সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদির সৃষ্টি হয়। এবার আসা যাক আমাদের প্রধান বিষয় মাল্টিভার্স প্রসঙ্গে। বিগব্যাং আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানী অ্যালেন গুথ চিন্তা করে দেখলেন , আমাদের এই মহাবিশ্ব যেমন ভাবে মহাবিষ্ফোরণের মাধ্যমে স্থান কাল শূন্যতার ভিতর দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে , তাহলে এই প্রক্রিয়া তো একাধিক বার ঘটতে পারে । আর মজার কথা হল , বাস্তবে ঘটছেও তাই । একবার ভাবুন তো যদি বিন্দু অবস্থায় থাকা কোনো বস্তু বিস্ফোরিত হয় এবং এর বিভিন্ন অংশ ক্রমাগত ছিটকে বাইরের দিকে যেতে থাকে তাহলে ঐ ছিটকে যাওয়া বস্তু কী পরিমাণ জায়গা দখল করতে পারে। ভাবতেই কি রকম আশ্চর্য লাগছে। আসলে ঐ বস্তুর জন্য অসীম পরিমাণ জায়গা লাগবে আর এই অসীম পরিমাণ জায়গাই আমাদের মহাবিশ্ব। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এরকম বিস্ফোরণ যদি একটা হতে পারে তারমানে পুরো মহাবিশ্বে আরো হওয়া সম্ভব। এই প্রশ্ন থেকে মাল্টিভার্স শব্দের উৎপত্তি। অনেকগুলো মহাবিশ্বকে একত্রে বলা হয় মাল্টিভার্স। এই তত্ত্বের একটি বিশেষ দিক হচ্ছে এই তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানের সকল সূত্রকে সমর্থন করে। মাল্টিভার্সে কোন মজবুত প্রমাণ এখনও পর্যন্ত হাজির করা সম্ভব হয় নি । তবে পদার্থ বিদ্যার সকল সূত্র এই তত্ত্ব সমর্থন করে । আর এই সম্পর্কে একটা ঘটনা না বললেই নয় । সেটা হল , এ্যলেন গুথ এই থিওরী আবিষ্কার করার পর এক সাংবাদেক তাকে প্রশ্ন করে বসলেন , মহাবিশ্ব যদি বুদ বুদের মত সৃষ্টি হয়ে প্রসারেত হয় , তবে তাদের মধ্যে তো সংঘর্ষ ঘটার সম্ভাবনা আছে । এমন কি এর ফলে কোন মহাবিশ্ব ধ্বংস হয়ে যেতেও পারে । বিজ্ঞানীরা নাসার WMAP(উইলকিনসন মাইক্রোওয়েভ এনিসোট্রবি প্রোব) ডাটা ব্যাবহার করে নির্ণয় করলেন যে, আমাদের এই মহাবিশ্বের একদম শেষ সিমানায় একধরণের মহাবৈশ্বিক সংঘর্ষের খুব ক্ষুদ্র আঘাতের চিহ্ন রয়েছে । তারা বিভিন্ন প্রযুক্তির মাদ্যমে এই ক্ষত স্থান গুলো চিহ্নিত করলেন । অবশেষে মাল্টিভার্স দাড়ানোর জন্য একটা ভিত পেলো । আজ তাহলে এ পর্যন্তই। ভিডিওটি ভাল লাগলে লাইক ও শেয়ার  করুন  cassinio.blogspot.com
করুন এবং কমেন্টে আপনাদের মতামত জানান। পরবর্তী ভিডিওগুলো পাওয়ার জন্য

No comments:

Post a Comment

মানুষ বড়ই আজব..!!

★★নুপুরের দাম হাজার টাকা, কিন্তু তার স্থান পায়ে। টিপের দাম এক টাকা হলেও তার স্থান কপালে.... ইতিহাস সাক্ষী আছে। লবনে এখনো পোকা ধরেনি,...